May 12, 2026, 12:57 am


শাহীন আবদুল বারী

Published:
2026-05-11 23:51:31 BdST

টাংগাইল সদরের জনগণকে দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন হবে"টুকু" মায়াবী চরিত্রের এক আলোকিত মানুষ


আমাকে খুঁজতে হবে না, আমার কাছে যেতেও হবে না।আপনাদের যেকোনো প্রয়োজন বা সমস্যায় আমিই আপনাদের কাছে পৌঁছে যাবো। যেমন কথা ঠিক তেমনই কাজ। তিনি হলেন টাঙ্গাইল সদরের একনিষ্ঠ নেতা, মৎস্য প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু(এমপি)। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে টাঙ্গাইল সদরবাসীর প্রাণের দাবি,আমাদের নেতাকে প্রতিমন্ত্রী থেকে পূর্ণ মন্ত্রী করা হোক।

গত ৮মে (শুক্রবার) মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু(এমপি) টাঙ্গাইলে সরকারি একটি প্রোগ্রামে ছিলেন। হঠাৎ শুনতে পান যে, ছিলিমপুর ইউনিয়ন নদী ভাংগনের কবলে পড়েছে। এই খবর পাওয়া মাত্র তিনি সেখানে ছুটে যান। পরিদর্শন শেষে বিপদগ্রস্থ মানুষের জন্য যা যা করণীয় তা করার জন্য প্রশাসনকে নির্দেশনা প্রদান করেন। এসময় ছিলিমপুরবাসী প্রতিমন্ত্রীর নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়ন দেখে অবাক হন। বিশেষ করে যারা বিএনপির কট্টর বিরোধিতা করেছিলেন, তারাও অনুতপ্ত হন। এমন দৃশ্য দেখতে পারবেন তা তারা কল্পনাও করেননি। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল সদরের এমপি হবার পর মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এমন অসংখ্য স্মৃতি রয়েছে যা বর্ণনাতীত।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইল সদরের ভোটারদের কাছে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়ে ছিলেন, তা বাস্তবায়ন শুরু করেন এমপি হবার পর থেকেই। তিনি গত ১৭ ফেব্রুয়ারি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর শপথ গ্রহণের পর টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়নে চমক দেখাতে শুরু করেন। একটি মহল টুকুকে নিয়ে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রে মেতে  উঠেছিল। আজ তাদের মুখে চুন কালির দাগ পড়েছে। বিশেষ করে বিএনপির মধ্যেই অনেক নেতাকর্মী টুকুর ঘোর বিরোধিতা করেছিল যাতে সে এমপি হতে না পারেন। কিছু নেতাকর্মী টুকুর সাথে থেকেও ভেতরে ভেতরে অন্য একজনকে সমর্থন করেছিলো। কিন্তু মহান আল্লাহ পাক চাইলে কেউ কাউকে অসম্মানিত করতে পারে না।

সব বাঁধা অতিক্রম করে জনগণের বিপুল ভোটে টুকু এমপি হয়েছেন। টাঙ্গাইলের সর্বস্তরের মানুষ বুঝতে শুরু করেছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর বিকল্প নেই। তিনি শুধু উন্নয়ন নয়, টাঙ্গাইলে বিএনপি'র ভঙ্গুর  রাজনীতিকে স্বয়ংসম্পূর্ণ করতে ত্যাগী নেতাকর্মীদের মূল্যায়ন করছেন। এজন্য কতিপয় দুষ্ট প্রকৃতির নেতারা কিছুটা চিন্তিত। কারণ টুকু বলেছিলেন, টাঙ্গাইল সদরে আমি নিজে চাঁদাবাজি করবো না, কেউ করলে তাকেও চুল পরিমাণ ছাড় দেয়া হবে না। প্রতিটি প্রতিশ্রুতি সুলতান সালাউদ্দিন টুকু অক্ষরে অক্ষরে পালন করে যাচ্ছেন। টুকুর কাজের স্পিরিট ও সফলতা দেখে বিরোধী দলীয় শিবিরের লোকজন এখন নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কিন্তু কোন ক্লান্তি বা অনীহা সুলতানকে বিন্দুমাত্র স্পর্শ করতে পারেনি। তিনি মায়াবী চরিত্রের এক আলোকিত মানুষ।

গতকাল রবিবার টাঙ্গাইলে চরের মানুষের সাথে এই প্রতিবেদকের আলাপকালে তারা বলেন, আমাদের দীর্ঘদিনের স্বপ্ন এবং ধুলাবালির সাথে মিশে থাকা আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটতে যাচ্ছে। টাঙ্গাইল পশ্চিম চরাঞ্চলের মানুষের শিক্ষা সংস্কৃতি মানবিকতা এগিয়ে থাকলেও রাস্তাঘাটের সংস্কার এবং রাস্তাঘাট না থাকায় জনদুর্ভোগ ছিল অপরিকল্পনীয়। বিগত সময়ে যারা ক্ষমতায় ছিলেন, তারা কাজ করেননি সেটা বলা যাবে না। তারাও কাজ করেছেন কিন্তু সামর্থ্যের সবটুকু উজাড় করে তারা কাজ করেননি। কিন্তু আমাদের নতুন এমপি টুকু ভাই সব কিছু উজাড় করে আমাদের জন্য কাজ করছেন। তিনি আমাদের দাবির বাইরেও অনেক উন্নয়নমূলক কাজে হাত দিয়েছেন।

তারা আরও বলেন, আগে অন্য সব এমপি, মন্ত্রীদের কাছে যেতে হলে তাদের পিএস বা নেতাদের ম্যানেজ করে যেতে হতো। একমাত্র টুকু ভাই আলাদা বৈশিষ্ট্যের। তার বাসা এবং মন্ত্রণালয়ে গিয়েও আমরা বিরক্ত করি। কিন্তু আমাদের এমপি কোন প্রকার বিরক্তিবোধ করেন না। রাত ২/৩ টা পর্যন্ত জনগণের কথা শোনেন এবং তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (এমপি) জনগণকে প্রতিশ্রুতি দিয়েই সংসদ সদস্য হয়েছেন। সাধারণ জনগণও টুকুর উপর আস্থা রেখে তার প্রতিশ্রুতিকে মূল্যায়ন করেছেন। তাদের ধারণা ছিলো সুলতান সালাউদ্দিন টুকু টাঙ্গাইলের উন্নয়নে যা পারবেন তা অন্য কেউ হয়তো পারবে না। তবে টুকুর বিরুদ্ধে সব ধরনের ষড়যন্ত্র কম করা হয়নি। ষড়যন্ত্রকারীদের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে টাঙ্গাইল সদরে বিপুল ভোটে টুকু এমপি নির্বাচিত হন। বিরোধী শিবিরের লোকজন বলতেন, নির্বাচন শেষ হওয়ার পর টুকুকে আর পাওয়া যাবে না। তিনি পাশ করার পর আর আসবেন না? কিন্তু না,তিনি কাজ শুরু করলেন এবং  নিয়মিত এলাকায়ও যান। দিবারাত্রি মানুষ তার কাছে নানা সমস্যা নিয়ে আসেন। প্রত্যেকের কথা মনযোগ দিয়ে শোনেন এবং তামিল করেন। ক্রমেই টুকুর জনপ্রিয়তা বেড়েই চলছে।

দেশের অর্থনৈতিক অবস্থায় মন্দা বিরাজ করছে। তবুও চরাঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন ও দুর্ভোগ কমাতে কাজ করছেন টুকু। নানা কল্পনা আর জল্পনার অবসান ঘটিয়ে শীঘ্রই এখানে ব্রীজের কাজ শুরু হতে যাচ্ছে। এই খবরে চরের মানুষের মাঝে ঈদের আনন্দ বইছে। অতি তাড়াতাড়ি টাঙ্গাইল পশ্চিম অঞ্চলের কৃষকের উৎপাদিত পণ্য পরিবহনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটবে। এছাড়া স্বাস্থ্যসেবা সহ সুবিধাবঞ্চিত মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে। শহরে যাতায়াতে সময়ের অভাব সংকীর্ণতা কেটে যাবে। সেই সাথে এই অঞ্চলের অনগ্রসর জনগোষ্ঠী দ্রুতই উন্নয়নের ছোঁয়ায় ভাসবে। এই অঞ্চলে শিক্ষা-সংস্কৃতি মনোবিকাশের এক অপূর্ব সমন্বয় ঘটবে রাস্তার উন্নয়ন সুগঠিত হলে।

এদিকে, টাঙ্গাইল শহরে কিশোর গ্যাং, মাদক প্রতিরোধ, মাদক ব্যবসায়ীদের আটক, জুয়া বন্ধ সহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স ঘোষণা করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু (এমপি)। প্রশাসনকেও কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। কিন্তু প্রশাসনের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তারা ধীরগতিতে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে সরকারদলীয় এক নেতা এই প্রতিবেদককে বলেন, মাদক নির্মূল করতে হলে আগে মাদক কারবারিদের গ্রেফতার করতে হবে। অথচ, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা তা না করে মাদকসেবীদের ধরে এনে গ্রেফতার বাণিজ্য করে।

এদিকে, টাঙ্গাইল সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রুহুল আমিনের বিরুদ্ধে মাদক স্পট এবং জুয়ার আসর থেকে নিয়মিত মাসোহারা নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। তার শেল্টারে নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের পলাতক নেতাকর্মীরা মামলা থাকা সত্বেও দিব্যি এলাকা দাবিয়ে বেড়াচ্ছে, বাসায় ঘুমাচ্ছে বলেও গুঞ্জন আছে। অন্যদিকে, টাঙ্গাইল জেলায় সঙ্ঘবদ্ধ মোটরসাইকেল চোরের উৎপাতে অতিষ্ঠ ভুক্তভোগীরা। কিন্তু পুলিশ উদাসীন। এসব বিষয়ে শহরবাসী প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ বলেন, টুকু ভাই নির্বাচিত হয়েই দলের নেতাকর্মীদের প্রতি বিশেষ বার্তা দেন যে, চাঁদাবাজ ও দখলবাজ যে দলেরই হোক, কেউ রক্ষা পাবে না। একইসাথে সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীদের উদ্দেশ্যেও কঠোর বার্তা দেন তিনি। দলের কোন নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে অপরাধমুলক কোন অভিযোগ আসলে তা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেয়ার ঘোষনা দিয়েছেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। 

টাঙ্গাইল ৮ টি আসনের মধ্যে সদর আসনে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সবার চেয়ে এগিয়ে রয়েছেন জননেতা টুকু। একে একে তিনি জনগনকে দেয়া ওয়াদার বাস্তবায়ন করে চলেছেন। তিনি সদরের উন্নয়ন তথা মানুষের ভাগ্য উন্নয়নে দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন। সরকারের সহযোগীতা থাকলে আগামী পাঁচ বছরে সকল প্রতিশ্রুতি পুরনে সফল হবেন। পতিত সরকার আমলে জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার সুলতান সালাউদ্দিন টুকু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরীক্ষিত যোদ্ধা।

টাঙ্গাইল সদরের উন্নয়ন তথা জনগনের ভাগ্য উন্নয়নে ইতোমধ্যে সদরের মসজিদ, মন্দির, মাদ্রাসাসহ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে প্রতিমন্ত্রীর ডিও লেটারের মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়ার মাধ্যমে কয়েক কোটি টাকার কাজ শুরু হয়েছে। 

নির্বাচনের আগে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সদরের মানুষকে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি মধ্যে অন্যতম ছিল চরাঞ্চলের রাস্তা-ঘাট, ব্রীজ, কালবাট, বেরিবাদ, মসজিদ, মন্দির ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যপক উন্নয়ন করা হবে। বিশেষ অগ্রাধিকার ছিলো বেঁড়িবাঁধ নির্মান। একই সাথে বেঁড়িবাঁধকে কেন্দ্র করে পর্যটন নগরী গড়ে তোলা। প্রতিশ্রুতি অনুয়ারী, তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও মন্ত্রণালয় গুলোতে যোগাযোগ করে বাস্তবায়নের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ক্রমান্বয়ে টুকুর পরিশ্রম ও চেষ্টায় সবগুলো প্রতিশ্রুতি সফল হবে বলে টাঙ্গাইল সদরের মানুষের দৃঢ় বিশ্বাস।

টাঙ্গাইল সদর উপজেলা স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর সুত্রে জানা গেছে, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাবার পর স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রনালয়ের মন্ত্রী এবং বিএনপির মহাসচিব মীর্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বরারব একটি আবেদন করেছেন। এতে তিনি দাবি জানান, ১২টি উপজেলা নিয়ে বৃহৎ টাঙ্গাইল জেলা। এই জেলার বড় একটি অংশ এখনো যোগাযোগ ব্যবস্থার বাইরে রয়েছে। ফলে জনসাধারনের চলাচল, জনগোষ্ঠীর নিন্ম আয়ের কর্মসংস্থান, শিল্প কারখানা স্থাপন এবং কৃষকের উৎপাদিত কৃষিপণ্য পরিবহন ও বাজারজাতকরণ চরমভাবে ব্যহত হচ্ছে। এ অবস্থায় স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নের নিমিত্তে টাঙ্গাইল জেলায় একটি নতুন প্রকল্প অনুমোদন প্রয়োজন। এরজন্য মন্ত্রীর সহযোগীতা কামনা করেন সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।

এদিকে কাগমারী-চারাবাড়ি-তোরাপগঞ্জ রাস্তায় ধলেশ্বরী নদীর উপর ৩২০ মিটার ব্রীজ ও ৬৫০ মিটার ব্রীজ এবং শিবপুর বাজার-কাশিনগর খেয়াঘাট রাস্তায় ধলেশ্বরী নদীর উপর ২৫০ মিটার ব্রীজ নির্মানের জন্য স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেছেন। একইভাবে ফতেপুর আনেহলা রাস্তায় ১২০ মিটার ব্রীজ, তোরাপগঞ্জ- আব্দুল্লাহ পাড়া রাস্তায় ১০০ মিটার ব্রীজ, আয়নাপুর-দুর্গাপুর- রাঙ্গাচিড়া সড়কে ১৫০ মিটার, কাবিলা পাড়া-পোড়াবাড়ি- খারজানা-বড় বেলতা রাস্তায় ১২০ মিটার ব্রীজ ও কাতুলী ইউনিয়নের কাজির মোড়- মাকড়কোল-ব্রাক্ষনমোড়-ভবানীপুর রাস্তায় ১০০ মিটার ব্রীজ নির্মানের জন্য সুলতান সালাউদ্দিন টুকু স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী বরাবর আবেদন করেছেন। এসব আবেদনের প্রেক্ষিতে কতৃপক্ষ অতি তারাতারি ব্যবস্থা নিচ্ছে বলে জানা গেছে।

সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু সদর উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নের জন্য ১৪৭ টি রাস্তা ও ছোট বড় কালভার্ট নির্মানের জন্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়ে ডিও লেটার দিয়েছেন। একইভাবে ৩০৭টি মসজিদ মন্দিরের উন্নয়নের জন্য তিনি ডিও লেটার দিয়েছেন। যা খুব শীঘ্রই বাস্তবায়ন করা হবে।

পবিত্র মাহে রমজানে টাঙ্গাইল সদরে ১৮ টি ওয়ার্ড এবং ১২ টি ইউনিয়নের বিএনপির উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দীর্ঘ ১৭ বছর পর এই প্রথম বিএনপির নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে ইফতার করার সুযোগ সৃষ্টি হয়। এসবই সম্ভব হয়েছে তাদের প্রিয় নেতা সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর সার্বিক প্রচেষ্টায়। একজন কৃষকের ভাষ্য হচ্ছে,তার সুদ সহ দশ হাজার টাকা ঋণ মওকুফ হয়েছে। তিনি বলেন,যারা টুকুকে ধানের শীষে ভোট দেননি,তারাও সরকারের এই সুযোগ গ্রহণ করেছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রীর উদ্যোগে খরিপ-১ মৌসুমে পাট ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে পাট বীজ, সার ও কৃষি সরঞ্জাম বিতরণ করা হয়। সদরের বৃহৎ চরাঞ্চলে পতিত যেসব জমি রয়েছে, ওইসব জমি চাষাবাদের আওতায় আনতে এই প্রথম চরাঞ্চলে সেচযন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। ইতোমধ্যে পাট বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়া ঈদে জনগণের ভোগান্তি কমাতে সুলতান সালাউদ্দিন টুকু নিজেই মাঠে নামেন। সদরে যানজট নিরসনে  আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি দলের নেতাকর্মীদের মাঠে নামানো হয়। ইতিপূর্বে কোন এমপি রাস্তায় দাড়িয়ে যানজট নিরসনের কোন নজির নেই।

গত ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন তারেক রহমান টাঙ্গাইলে ১৪৭০ টি কৃষি কার্ড  উদ্বোধন করেন।প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে জেলাজুড়ে সাজ সাজ রব ও উৎসবের আমেজে পরিণত হয় টাঙ্গাইল সদর। প্রধানমন্ত্রীর এই সফর ও দেশব্যাপী ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনকে ঘিরে টাঙ্গাইলসহ আশপাশের জেলাগুলোতে নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে কৃষকদের মাঝে ঈদ আমেজ মনে হয়েছে।কারণ স্বাধীনতার ৫৪ বছরে কোন সরকার কৃষকদের জন্য "কৃষি কার্ড" এর ব্যবস্থা করেনি। টাংগাইল সদরের নন্দিত এমপি, সরকারের মৎস ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর আপ্রাণ চেষ্টায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইলে কৃষকদের মাঝে "কৃষি কার্ড" বিতরণ ও উদ্বোধন করেন। প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকুর নেতৃত্বেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান টাঙ্গাইল সফরে যান।

জানতে চাওয়া হলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এ প্রতিবেদককে বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত শক্তিশালী করতে আমাদের সকলের এগিয়ে আসতে হবে। প্রধানমন্ত্রীকে দেশ পরিচালনা করতে সার্বিক সহযোগিতা আমাদের একান্ত কাম্য। তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পথে হাটছেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বলিষ্ঠ নেতৃত্বকে সামনে রেখে এগিয়ে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সুলতান সালাউদ্দিন টুকু আরও বলেন, টাঙ্গাইল সদর হবে উন্নয়নের মডেল শহর। নির্বাচনে জনগণকে, আমার দেয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবো ইনশাআল্লাহ।

Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.