আব্দুর রহিম রিপন
Published:2026-02-08 14:58:49 BdST
জনৈতিক দলগুলোর স্থানীয় নেতারাই ভাগ-বাটোয়ারা করে এখানকার জমি ও জলাশয় দখল করে রেখেছেনির্বাচিত হলে ঢাকা-১১ থেকে ভূমিদস্যুদের সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল করা হবে’—নাহিদ ইসলাম
নির্বাচিত হলে ঢাকা-১১ থেকে ভূমিদস্যুদের সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল করা হবে’—নাহিদ ইসলাম
আবদুর রহিম, স্টাফ রিপোর্টার
ঢাকা | ০৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ও ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের নেতা নাহিদ ইসলাম ঘোষণা দিয়েছেন, নির্বাচিত হলে এই এলাকা থেকে ভূমিদস্যুদের সিন্ডিকেট চিরতরে নির্মূল করা হবে। তিনি অভিযোগ করেন, গত ৩০ বছর ধরে প্রধান রাজনৈতিক দলগুলোর স্থানীয় নেতারাই ভাগ-বাটোয়ারা করে এখানকার জমি ও জলাশয় দখল করে রেখেছে।
রবিবার (৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার মেরুল বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট খেলার মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী জনসভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় প্রধান অতিথি ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
নাহিদ ইসলাম বলেন, “ঢাকা-১১ আসনের প্রধান সমস্যা রাজনৈতিক, আর সেই রাজনীতির মূল ভিত্তি হলো ভূমিদস্যুতা। গত ৩০ বছরে বাড্ডা, বেরাইদ ও রামপুরায় শত শত মানুষের জমি, খাস জমি এবং জলাশয় দখল করে ভরাট করা হয়েছে। ৫ আগস্টের আগে যারা ক্ষমতায় ছিল এবং পরে যারা এসেছে—স্থানীয় পর্যায়ে দখলদার ও চাঁদাবাজদের কেবল চেহারা পরিবর্তন হয়েছে, চরিত্র বদলায়নি। এই সিন্ডিকেট জনগণের শত্রু।”
তিনি আরও বলেন, “আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জনগণের সামনে সুযোগ এসেছে ভূমিদস্যু, দখলদার, চাঁদাবাজ ও ঋণখেলাপিদের পরাজিত করার। আমরা নির্বাচিত হলে এই সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে জনগণের অধিকার ফিরিয়ে দেব।”
নাগরিক সুবিধা ও বৈষম্য
নিজেকে এই এলাকার সন্তান উল্লেখ করে নাহিদ বলেন, “ঢাকা-১১ আসনে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বসবাস করেন, অথচ এখানে সরকারি কোনো হাসপাতাল নেই, এমনকি একটি সরকারি হাইস্কুলও নেই। বাড্ডা-ভাটারা এলাকার ৭০ শতাংশ মানুষ অপরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থার কারণে সামান্য বৃষ্টিতেই জলাবদ্ধতায় ভোগেন। গুলশান-বনানীর এত কাছে হয়েও এই এলাকাটি মফস্বলের মতো অবহেলিত।”
রাজনৈতিক বার্তা
বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে নাহিদ ইসলাম বলেন, “একটি দল দেশকে ফের বিপদগ্রস্ত করার পরিকল্পনা করছে। তাদের সেই পরিকল্পনা নস্যাৎ করতে হবে। সারা দেশে ১১-দলীয় নির্বাচনী ঐক্যের প্রার্থীদের জয়ী করে আধিপত্যবাদ ও সন্ত্রাসমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে হবে।”
জনসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান এবং খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হকও ধানের শীষ প্রতীকের বাইরে গিয়ে ১১-দলীয় ঐক্যের প্রার্থীদের বিজয়ী করার আহ্বান জানান।
Unauthorized use or reproduction of The Finance Today content for commercial purposes is strictly prohibited.
